বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি
এর গঠনতন্ত্র এবং বিধিমালা
১. নামঃ
এ দলের নাম হবে ‘বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি’। ইংরেজিতে এ সংগঠনকে ‘Bangladesh Justice and Development Party (JDP)’ এবং সংক্ষেপে এ দলটিকে JDP বলে অভিহিত করা হবে। এ দলের জাতীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত হবে এবং দলের কেন্দ্রীয় অফিসের সংগঠন চেয়ারম্যানের দায়িত্বশীল থাকবে এবং অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের পদবী, দায়-দায়িত্ব ও ক্ষমতা চেয়ারম্যান নিজে নির্ধারণ করবেন।
২. উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যঃ
বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পাটি এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
- বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পাটি, জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভোমত্ব, নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা ও গণতন্ত্র সুরক্ষিত, আধুনিক, সহজ ও সুসংহত করা।
- জাতীয় ঐক্যবদ্ধ এবং পুনরুজ্জীবিত জাতিকে অর্থনৈতিক কর্ম ও স্বনির্ভরতার মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ, নয়া-উপনিবেশবাদ, আধিপত্যবাদ ও বহিরাক্রমণ থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করা ও শক্তিশালী করা।
- কর্মসংস্থান ভিত্তিক উৎপাদনের রাজনীতি, মুক্তবাজার অর্থনীতি এবং জনগণের গণতন্ত্রের মাধ্যমে সামাজিক, পারিবারিক, ব্যক্তির ন্যায় বিচার ভিত্তিক মানবমুখী অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থ এর মাধ্যমে জাতীয় সমৃদ্ধি অর্জন করা ।
- কর্মসংস্থান ভিত্তিতে গ্রামে-গঞ্জে জনগণকে সচেতন ও আধুনিক জীবন যাএার মাপকাঠি উন্নতি ও সুসংগঠিত করা
এবং সার্বিক উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের স্ব-ক্ষমতা ও দক্ষতা জনগণের হাতে পোঁছে দেওয়া । - কর্ম ভিওিক শিক্ষা ব্যাবস্থা চালু করা যাতে করে দেশের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ট মানুষেকে জন সম্পদে রুপান্তর করা যায়।
- বহুদলীয় রাজনীতির ভিত্তিতে জনগণের পত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একটি সংসদীয় পদ্ধতির আধুনিক সরকারের
মাধ্যমে স্থিতিশীল গণতন্ত্র কায়েম করা । - আধুনিক জীবন ধারা ও গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থার রক্ষাকবচ হিসাবে গণনির্বাচিত জাতীয় সংসদের ভিত্তি দৃঢ়ভাবে স্থাপণ করা এবং জনগণের সকল মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করা।
- বেকারদের কে জাতীয় ও ব্যক্তি জীবনে মানবমূখী সামাজিক কর্মের মূল্যবোধের পূনরুজ্জীবন এবং সৃজনশীল উৎপাদন উন্নয়ন কর্মমুখী জীবনবোধ ফিরিয়ে আনা ।
- কার্যকরী কর্র্মউন্নয়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জাতীয় জীবনে ন্যায় বিচার ভিত্তিক সুষম অর্থনীতির প্রতিষ্ঠা, যাতে করে
সকল বাংলাদেশী নাগরিক অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা-স্বাস্থ্য, বাসস্থান, ও শিক্ষার সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত জীবন
সুনিশ্চিত করা। - সার্বিক গাম বাংলার আধুনিক উন্নয়ন কর্মসূচীকে অগাধিকার দান করা ও সক্রিয় গণচেষ্টার মাধ্যমে গাম বাংলার সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি সু-নিশ্চিত করা।
- শিশু ও নারী সমাজ এবং যুব সম্প্রদায়সহ সকল জনসম্পদের সুন্দর ও আধুনিকায়ন সহজ করা।
- সুপরিকল্পিত কর্ম শ্রমনীতির মাধ্যমে শিল্পক্ষেত্রে সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করা আধুনিকায়ন করে উন্নতি করা।
- বাংলাভাষা ও সাহিত্য, বাংলাদেশের সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও বাংলাদেশের ক্রীড়া সংরক্ষন, উন্নয়ন, বিশ্বব্যপী পরিচিত করা।
- আন্তর্জাতিক পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে জোট নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব, প্রীতি ও সমতা রক্ষা করা। সার্বভোমত্ব ও সমতার ভিত্তিতে পতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সংগে, তৃতীয় বিশ্বের মিত্র রাষ্ট্রসমূহের সাথে এবং ভ্রাতৃ পতিম মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের সংগে পীতি ও সখ্যতার সম্পর্ক সুসংহত এবং সুদৃঢ করা।
৩. (ক) দলের পতাকাঃ

এই দলের পতাকার বাম পার্শ্বে লাল এবং ডান পার্শ্বে সবুজ রংয়ের হবে, লাল ও সবুজ রং মুক্তিযোদ্ধের চেতনার প্রতীক। পতাকার মধ্যস্থলে গুলাকার এর মধ্যে দন্ডায়মান আলোর রশ্মি ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে বুঝানো হয়েছে এবং গোলাকার সোনালী রং এর ধানের শীষ ও গমের শীষ উন্নয়ন ও সমৃদ্বের প্রতীক হিসেবে বুঝানো হয়েছে। মধ্যখানে বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপন্টে পার্টি গোলাকার সাদা রং এর লিখা শিল্পচক্র বুঝানো হয়েছে। ডানে ৫ টি তারকা হচ্ছে আমাদের ৫ টি মৌলিক উদ্যেশ্য দেশপ্রেম, মানবতা, ন্যায়পরায়নতা, উন্নয়ন ও ঐক্য এর পতীক।
৩. (খ) দলের লগোঃ

গুলাকার এর মধ্যে দন্ডায়মান আলোর রশ্মি ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে বুঝানো হয়েছে এবং গোলাকার সোনালী রং এর ধানের শীষ ও গমের শীষ উন্নয়ন ও সমৃদ্বের প্রতীক হিসেবে বুঝানো হয়েছে।
৪. শব্দার্থঃ
(ক) ‘ওয়ার্ড’, ‘ইউনিয়ন’, ‘উপজেলা/থানা’, ‘পৌরসভা’, ‘মহানগর’ এই শব্দগুলো বাংলাদেশ সরকার/নির্বাচন কমিশন কর্তৃক দেওয়া অর্থই বোঝাবে।
(খ) ‘গঠনতন্ত্র’ শব্দটি অপাসঙ্গিক না হলে দলের গঠনতন্ত্রকেই বোঝাবে।
(গ) যদি গঠনতন্ত্রে অন্যভাবে বোঝানো না হয়ে থাকে তবে ‘জেলা’ বলতে প্রশাসনিক জেলা বোঝাবে ।
(ঘ) চেয়ারম্যান শব্দটি ক্ষেত্র বিশেষে চেয়ারপার্সনকেও বোঝাবে ।
(ঙ) ‘দল’ শব্দটি “বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পাটি” কে বোঝাবে ।
(চ) ‘সদস্য’ শব্দটি যদি ‘কমিটির’ পরিপেক্ষিতে ব্যবহৃত না হয়ে থাকে তা হলে দলের পাথমিক সদস্যকে বোঝাবে।
৫. সদস্য পদঃ
(ক) সদস্য পদ লাভের যোগ্যতাঃ-
(১) ১৮ বছর বা ততোধিক বয়সের যে কোন বাংলাদেশী নাগরিক এ দলের পাথমিক সদস্য হতে পারবে।ইচ্ছুক ব্যাক্তিদেরকে সংগঠনের ঘোষনাপত্রের, গঠনতন্ত্র ও কর্মসূচীর পতি আনুগত্য ঘোষণা করতে হবে।
(২) পাথমিক সদস্য পদের আবেদনপত্র দলের কেন্দ্রীয়, জেলা, থানা বা উপজেলা পর্যায়ে দলের দ্বায়িত্ব প্রাপ্তদের কাছে পাওয়া যাবে।
(৩) বিবেচনার পর আবেদনপত্র গৃহীত হলে সদস্য পদের পমাণ স্বরুপ পরিচয়পত্র (তপশীল-১) ‘খ’ ফরমে পত্যেক সদস্যকে দিতে হবে।
(৪) এ দলের পাথমিক সদস্য চাঁদা ১০০/= (একশ) টাকা মাত্র সদস্য পদ লাভের পরবর্তী বছর থেকে দলের মাসিক চাঁদা ৫০/= (পঞ্চাশ) টাকা মাত্র । সদস্যদের চাঁদা রসিদ মারফত গৃহীত হবে এবং রসিদ দলের কেন্দীয় কার্যালয় থেকে সরবরাহ করা হবে।
(৫) প্রত্যেকটি উপজেলা/থানা অফিস তাঁদের স্ব-স্ব এলাকায় প্রত্যেক প্রাথমিক সদস্য পদের তালিকা সংরক্ষণ করবেন। জাতীয় সদর দফতরে অর্থাৎ দলের ঢাকাস্থ কেন্দীয় অফিসে দলের সর্বমোট সদস্য সংখ্যা, সদস্যদের নাম ও ঠিকানাসহ বিধি সম্মতভাবে সংরক্ষিত হবে।
(খ) সদস্য পদ লাভের অযোগ্যতাঃ
(১) বাংলাদেশের আইনানুগ নাগরিক নন এমন কোন ব্যক্তি “বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পাটি দলের সদস্য হতে পারবেন না।
(২) বাংলাদেশের স্বাধীনতায়, সার্বভোমত্ব ও অখন্ডতার বিরোধী, গোপণ সশস্ত্র রাজনীতিতে বিশ্বাসী সক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট কোন ব্যাক্তি বা সমাজ বিরোধী ও গণবিরোধী কোন ব্যক্তিকে এই সংগঠনের সদস্য পদ দেয়া হবে না।
(গ) সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাঃ
দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য / স্থায়ী কমিটি দলের কোন সদস্যের অসদাচরণের কারনে কিংবা শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারনে কিংবা দলের নীতি ও আদর্শ বিরোধী কোন কর্মকান্ডের কারনে তার সদস্যপদ বাতিল কিংবা সাময়িকভাবে সদস্যপদ স্থগিত কিংবা তার বিরুদ্ধে অন্য যে কোন শাস্তিমলক ব্যবস্থা গহণ এবং সঙ্গত কারনে পুর্বে নেয়া যে কোন শাস্তিমলক ব্যবস্থা পত্যাহার করতে পারবে। কোন কারণে প্রেসিডিয়াম বা স্থায়ী কমিটির সভা আহ্বান করা সম্ভব না হলে জরুরী প্রয়োজনে দলের চেয়ারম্যান নিজ বিবেচনায় শাস্তিযোগ্য মনে করলে যে কোন সদস্যের বিরুদ্ধে যে কোন শাস্তিমলক ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে গহণ এবং পর্বে নেয়া যে কোন শাস্তিমলক ব্যবস্থা পত্যাহার করতে পারবেন। তবে সকল ক্ষেত্রে যথাশীঘ্র সম্ভব জাতীয় স্থায়ী কমিটির অনুমোদন নিতে হবে। চেয়ারম্যান অথবা স্থায়ী কমিটি শাস্তিমলক ব্যবস্থা গহণ করার পুর্বে পয়োজনবোধে অভিযুক্ত সদস্যকে ব্যক্তিগত শুনানীর সুযোগ দিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে একটি নোটিশ ডাকে কিংবা তার হাতে হাতে জারী করতে হবে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় সংক্ষুদ্ধ ব্যাক্তি শাস্তির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দলের চেয়াম্যানের বরাবরে আপিল করতে পারবেন এবং এ বিষয়ে চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
(ঘ) সদস্যপদ থেকে পদত্যাগঃ
(১) দলের যে কোন সদস্য দলের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত চিঠির মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারবেন।
(২) দল কর্তৃক মনোনীত কোন সংসদ সদস্য যদি সংসদে দলের সংসদীয় দলের নেতা/নেত্রীর সম্মতি ছাড়া নিজের নির্দিষ্ট আসন পরিবর্তন করেন বা অন্যদলের সাথে জোট বাঁধেন বা ফ্লোরক্রস করেন বা সংসদের দলীয় অবস্থানের পরিপন্থী কোন কাজ করেন তাহলে উপরোক্ত যে কোন কার্যের কারণে সেই সংসদ সদস্য এই দল থেকে তাৎক্ষনিকভাবে পদত্যাগ করেছেন বলে গণ্য হবেন।
৬. (ক) সাংগঠনিক নীতিমালা ও কাঠামোঃ
বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি দেশের মৌলিকস্থর ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায় থেকে সংগঠিত হয়ে জাতীয় (কেন্দ্রীয়) পর্যায় পর্যন্ত সম্পসারিত হবে। দলের সাংগঠনিক কাঠামো নিম্নরুপ হবে:
(১) ইউনিয়নের ওয়ার্ড কাউন্সিল ও ইউনিয়নের ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি
(২) পৌরসভা ওয়ার্ড কাউন্সিল ও পৌরসভা ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি
(৩) ইউনিয়ন কাউন্সিল ও ইউনিয়ন নির্বাহী কমিটি
(৪) উপজেলা/থানা কাউন্সিল ও উপজেলা/থানা নির্বাহী কমিটি
(৫) পৌরসভা কাউন্সিল ও পৌরসভা নির্বাহী কমিটি
(৬) জেলা কাউন্সিল ও জেলা নির্বাহী কমিটি
(৭) মহানগর ওয়ার্ড কাউন্সিল ও মহানগর ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি
(৮) মহানগর থানা কাউন্সিল ও মহানগর থানা নির্বাহী কমিটি
(৯) মহানগর কাউন্সিল ও মহানগর নির্বাহী কমিটি
(১০) জাতীয় কাউন্সিল
(১১) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
(১২) প্রেসিডিয়াম সদস্য
(১৩) পার্লামেন্টারী বোর্ড
(১৪) পার্লামেন্টারী পার্টি
৬. (খ) সাংগঠনিক কাঠামোর গঠন প্রণালী
(১) ইউনিয়নের ওয়ার্ড কাউন্সিল ও ইউনিয়নের ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি পতি ইউনিয়নের ওয়ার্ডে নূন্যতম ৫১ জন প্রাথমিক সদস্য নিয়ে দলের কাউন্সিল গঠিত হবে। এ কাউন্সিল দুই বৎসর মেয়াদে কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি, দুই জন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, একজন পচার সম্পাদক, একজন দপ্তর সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক ও একজন অর্থসম্পাদক সমন্বয়ে গঠিত অনুর্দ্ধ ২১ জনের একটি ইউনিয়নের ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করবেন। ইউনিয়ন নির্বাহী কমিটি এ কমিটির অনুমোদন দিবে।
(২) পৌরসভা ওয়ার্ড কাউন্সিল ও পৌরসভা ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি প্রতিটি জেলার বা পৌরসভাভূক্ত প্রতিটি ওয়ার্ডে ন্যুনতম ৫১ জন প্রাথমিক সদস্য নিয়ে দলের পৌরসভা ওয়ার্ড কাউন্সিল গঠিত হবে।এ কাউন্সিল দুই বৎসর মেয়াদে কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি, তিনজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, দুইজন যুগ্ন সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, দুইজন সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন প্রচার সম্পাদক, একজন দপ্তর সম্পাদক ও একজন অর্থসম্পাদক সমন্বয়ে গঠিত ‘২১ জনের অনুর্দ্ধ’ একটি পৌরসভা ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করবেন। এ কমিটি দলের ইউনিয়ন নির্বাহী কমিটির মর্যাদা লাভ করবে। পৌরসভা নির্বাহী কমিটি এ কমিটির অনুমোদন দিবে।
(৩) ইউনিয়ন কাউন্সিল ও ইউনিয়ন নির্বাহী কমিটি ইউনিয়নভুক্ত পতিটি ইউনিয়নের ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ সমন্বয়ে গঠিত হবে দলের ইউনিয়ন কাউন্সিল। এ কাউন্সিল তিন বৎসর মেয়াদে কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি,তিনজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক,দুইজন যুগ্ন-সম্পাদক,একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, দুইজন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন দপ্তর সম্পাদক, একজন প্রচার সম্পাদক ও একজন কোষাধ্যক্ষ সমন্বয়ে গঠিত ২১ জনের অনুর্দ্ধ একটি ইউনিয়ন নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করবেন।উপজেলা/থানা কমিটি ইউনিয়ন নির্বাহী কমিটির অনুমোদন দিবে।
(৪) উপজেলা/থানা কাউন্সিল ও উপজেলা/থানা নির্বাহী কমিটি: উপজেলা/থানাভুক্ত পতিটি ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ নিয়ে দলের উপজেলা/থানা কাউন্সিল গঠিত হবে। এ কাউন্সিল তিন বছর মেয়াদে কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে থেকে একজন সভাপতি, পাঁচজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, দুইজন যুগ্ন সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, দুইজন সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন পচার সম্পাদক, একজন দপ্তর সম্পাদক, একজন যুগ্নদপ্তর সম্পাদক ও একজন অর্থসম্পাদক সমন্বয়ে গঠিত ৫১ জনের অনুর্দ্ধ একটি উপজেলা/থানা নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করবে।জেলা কমিটি উপজেলা/থানা নির্বাহী কমিটির অনুমোদন দিবে।
(৫) পৌরসভা কাউন্সিল ও পৌরসভা নির্বাহী কমিটি পত্যেকটি পৌরসভাভূক্ত প্রতিটি ওয়ার্ডের নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দকে নিয়ে দলের পৌরসভা কাউন্সিল গঠিত হবে।এ কাউন্সিল তিন বছর মেয়াদে কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে থেকে একজন সভাপতি, পাঁচজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, দুইজন যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, দুইজন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন প্রচার সম্পাদক, একজন দপ্তর সম্পাদক, একজন সহ-দপ্তর সম্পাদক ও একজন অর্থসম্পাদক সমন্বয়ে গঠিত ২১ জনের অনুর্দ্ধ একটি পৌরসভা নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করবেন। এ নির্বাহী কমিটি উপজেলা/থানা নির্বাহী কমিটির মর্যাদা লাভ করবে।জেলা কমিটি এই কমিটির অনমোদন দিবে।
(৬) জেলা কাউন্সিল ও জেলা নির্বাহী কমিটি দলের জেলা কাউন্সিল প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক জেলাভূক্ত পতিটি উপজেলা/থানার ও পৌরসভার নির্বাহী কমিটির সদস্যদের নিয়ে গঠিত হবে। তিন বছর মেয়াদে কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি, পাঁচ জন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, দুইজন যুগ্ন সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, দুইজন সহ – সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন পচার সম্পাদক, একজন দপ্তর সম্পাদক, একজন সহ-দপ্তর সম্পাদক, একজন
পচার সম্পাদক ও একজন অর্থসম্পাদক সমন্বয়ে গঠিত ৫১ জনের অনুর্দ্ধ একটি জেলা নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করবে। মহাসচিব এর পরামর্শক্রমে চেয়ারম্যান জেলা কমিটির অনুমোদন দেবেন।
(৭) মহানগর ওয়ার্ড কাউন্সিল ও মহানগর ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি : ঢাকা, চট্টগাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ ও বরিশাল মহানগরীভুক্ত প্রতিটি ওয়ার্ডে ন্যূনতম ৭১ জন প্রাথমিক সদস্যদের নিয়ে উপরোক্ত পতিটি মহানগরে দলের ওয়ার্ড কাউন্সিল গঠিত হবে।দুই বছর মেয়াদে কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি, তিনজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, দুইজন যুগ্ন সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, দুইজন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন প্রচার সম্পাদক, একজন দপ্তর সম্পাদক ও একজন অর্থসম্পাদক সমন্বয়ে গঠিত ২১ জনের অনুর্ধ্ব একটি মহানগর ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি উক্ত কাউন্সিল নির্বাচিত করবেন। এ কমিটি দলের ইউনিয়ন নির্বাহী কমিটির মর্যাদা লাভ করবে।মহানগর থানা নির্বাহী কমিটি এ কমিটির অনুমোদন দিবে।
(৮) মহানগর থানা কাউন্সিল ও মহানগর থানা নির্বাহী কমিটিঃ
ঢাকা, চট্টগাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ ও বরিশাল এই পতিটি মহানগরের অন্তর্ভূক্ত পতিটি ওয়ার্ডের নির্বাহী কমিটি সদস্যবৃন্দদের নিয়ে সেই মহানগরে দলের মহানগর থানা কাউন্সিল গঠিত হবে। এই কাউন্সিল তিন বছর মেয়াদে একজন সভাপতি, পাঁচজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, দুইজন যুগ্ন-সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, দুইজন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন প্রচার সম্পাদক, একজন দপ্তর সম্পাদক, একজন সহ-দপ্তর সম্পাদক ও একজন অর্থসম্পাদক সমন্বয়ে গঠিত ৩১ জনের অনুর্ধ্ব একটি মহানগর -থানা নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করবেন। মহানগর নির্বাহী কমিটি এ কমিটির অনুমোদন দিবে।
(৯) মহানগর কাউন্সিল ও মহানগর নির্বাহী কমিটিঃ
ঢাকা, চট্টগাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ ও বরিশাল এই পতিটি মহানগরের অন্তর্ভূক্ত পতিটি থানা নির্বাহী কমিটি সদস্যদের নিয়ে সেই মহানগরে দলের মহানগর কাউন্সিল গঠিত হবে। এই কাউন্সিল দুই বছর মেয়াদে একজন সভাপতি, পাচঁজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, দুইজন যুগ্ন-সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, দুইজন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন দপ্তর সম্পাদক, একজন সহ-দপ্তর সম্পাদক, একজন প্রচার সম্পাদক, একজন সহ-পচার সম্পাদক ও একজন অর্থসম্পাদক সমন্বয়ে গঠিত ৭১ জনের অনুর্দ্ধ একটি মহানগর নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করবে। দলের মহানগর নির্বাহী কমিটি দলের জেলা নির্বাহী কমিটির মর্যাদা লাভ করবে। মহাসচিব এর পরামর্শক্রমে দলের চেয়ারম্যান মহানগর নির্বাহী কমিটির অনুমোদন দেবেন। নির্বাহী কমিটি নির্বাচনের সময় বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় কাউন্সিল সমূহ স্ব-স্ব এলাকায় পয়োজনবোধে জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে যে সব বিষয়ে সম্পাদকীয় পদ রয়েছে তার মধ্য থেকে সংশ্লিষ্ট কমিটির কর্মকান্ডের জন্য প্রয়োজন এমন বিষয় সমূহের জন্য এক বা একাধিক সম্পাদক নির্বাচিত করতে পারেন, যদিও কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা কোন ক্রমেই যার যার এলাকা-কমিটির সীমিত সংখ্যা অতিক্রম করতে পারবে না। ২০২৮ সালের মধ্যে দলের সকল স্তরের কমিটিতে মহিলা সদস্য সংখ্যা শতকরা ৩৩ ভাগে উন্নীত করতে হবে। দলের নির্বাচিত বিভিন্ন নির্বাহী কমিটিসমূহ স্ব স্ব এলাকায় দলের কর্মসূচী বাস্থবায়ন, তদারকী ও নিয়ন্ত্রন করবেন।
(১০) জাতীয় কাউন্সিলঃ
(ক) ‘জাতীয় কাউন্সিল’ নামে দলের একটি জাতীয় কাউন্সিল থাকবে যার গঠন পদ্ধতি নিম্নরুপ হবেঃ
(১) পতি উপজেলা/থানা নির্বাহী কমিটির (মহানগর থানাসহ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক;
(২) পতি পৌরসভার নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক;
(৩) পতি জেলা নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক;
(৪) পতি মহানগর নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক;
(৫) পতি জেলা ও মহানগর নির্বাহী কমিটি কর্তৃক মনোনীত প্রতি জেলা ও মহানগর হতে দুইজন মহিলা সদস্য;
(৬) পার্লামেন্টারী পার্টির সদস্যবৃন্দ;
(৭) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ;
(৮) জাতীয় স্থায়ী কমিটির/ প্রেসিডিয়াম সদস্যবৃন্দ;
(৯) চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত উপরে বর্ণিত ১ হতে ৮ এর মোট সদস্য সংখ্যার শতকরা ১০ ভাগ।
(খ) জাতীয় কাউন্সিলের দায়িত্ব ও ক্ষমতা নি¤œরুপ হবে ঃ
(১) জাতীয় স্থায়ী কমিটি/ প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্তৃক নির্ধারিত ও পবর্তিত দলের নীতি ও কর্মসূচী বাস্তবায়ন ও
কার্যকরী করা;
(২) দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটি / প্রেসিডিয়াম সদস্যগণ এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যগণের
নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।
(৩) দলের গঠনতন্ত্র সংশোধন করা;
(৪) দলের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রেরিত যে কোন বিষয় বিবেচনা করা;
(৫) মহাসচিবের রিপোর্ট বিবেচনা করা ও গ্রহণ করা;
(৬) জাতীয় কাউন্সিলের ১/৩ (এক তৃতীয়াংশ) সদস্যদের প্রস্তাবিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা।
(গ) বিষয় ভিত্তিক কমিটি দলের চেয়ারম্যান গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনবোধে জাতীয় কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দের মধ্য থেকে কয়েকজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত বিভিন্ন বিষয় কমিটি মনোনীত করতে পারবেন। অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে যে সমস্থ বিষয়ে এ ধরণের কমিটি গঠিত হতে পারে সেগুলো হচ্ছেঃ জাতীয় পরিকল্পনা ও অর্থ, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ; বন্যা নিয়ন্ত্রণ; পল্লী উন্নয়ন, খাদ্য ও কৃষি, নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও শিক্ষা, শম কল্যাণ, মহিলা, যুব সম্পদায়, আন্তর্জাতিক বিষয় ও শিশু কল্যাণ। এই সমস্ত কমিটি সমূহে দলের সদস্য নন অথচ বিশেষ ক্ষেত্রে পারদর্শী, যোগ্যতাসম্পূন্ন ও সুদক্ষ এমন ব্যাক্তিদেরকেও কো-অপ্ট করা যাবে, তবে কোন অবস্থাতেই এদের সংখ্যা কমিটির নির্ধারিত মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের বেশী হবে না। কমিটিতে কো-অপ্ট করা সদস্যবৃন্দ কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন।
(১১) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিঃ
জাতীয় নির্বাহী কমিটি অনুর্ধ্ব ১৫১ জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে। তবে দলের চেয়ারম্যান কর্মকর্তা বা সদস্যদের সংখ্যা নিরূপণে বিশেষ ক্ষেত্রে পরিবর্তন করতে পারবেন কিন্তু মোট সদস্য সংখ্যা ১৫১ জনের উর্ধ্বে দশ শতাংশের বেশী বৃদ্ধি করা যাবেনা। পত্যেক জেলা নির্বাহী কমিটির সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক ও পত্যেক মহানগর নির্বাহী কমিটির সভাপতি / সাধারণ সম্পাদক তাঁদের পদাধিকার বলে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য থাকবেন। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি সহ সকল স্তরের কমিটিতে মোট সদস্যের শতকরা ৩৩ ভাগ মহিলা সদস্য হতে হবে। এই কমিটিতে মোট সংখ্যার শতকরা ১০ ভাগ সদস্য শমিক, মুক্তিযোদ্ধা, কৃষক, উপজাতি ও সমাজের অন্যান্য স্তরের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে নিতে হবে। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নিম্নলিখিত কর্মকর্তাসহ দলের জাতীয় কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত হবেন। তবে এই কমিটির অন্ততঃ এক-তৃতীয়াংশ জাতীয় কাউন্সিল থেকে নিতে হবে। এই কমিটি ৩ বছরের জন্য নির্বাচিত হবে এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচিত পরবর্তী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দায়িত্ব গহণ না করা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।
চেয়ারম্যান – ১ জন
পেসিডিয়াম মেম্বার ১৯ জন
মহাসচিব – ১ জন
অতিরিক্ত মহাসচিব – ১ জন
যুগ্ম মহাসচিব – ৮ জন
সাংগঠনিক সম্পাদক – ১ জন
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক – ৮ জন
দফতর সম্পাদক – ১ জন
যুগ্ন-দফতর সম্পাদক – ১ জন
অর্থসম্পাদক – ১ জন
পচার সম্পাদক – ১ জন
সম্পাদক, আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, আইন বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, শিক্ষা বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, সমাজ কল্যান বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, যুব বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, স্থানীয় সরকার বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, শিল্প বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, অর্থনৈতিক বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, ক্রীড়া বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, সাংস্কৃতিক বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, মহিলা বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, পশিক্ষন বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, ছাত্র বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, শমিক বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, কৃষি বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, গণশিক্ষা বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, ধর্ম বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, বন ও পরিবেশ বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, পরিবার কল্যাণ বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, সমবায় বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, গাম সরকার বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, প্রকাশনা বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, স্বনির্ভর বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, তাঁতী বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, শিশু বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, স্বাস্থ্য বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, পবাসী কল্যাণ বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, মানবাধিকার বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, উপজাতী বিষয়ক – ১ জন
সম্পাদক, মৎসজীবি বিষয়ক – ১ জন
সহ-অর্থসম্পাদক – ১ জন
সহঃ সাংগঠনিক সম্পাদক – ৬ জন
সহঃ দফতর সম্পাদক – ৩ জন
সহঃ পচার সম্পাদক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, আইন বিষয়ক – ৩ জন
সহঃ সম্পাদক, শিক্ষা বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, ক্রীড়া বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, সাংস্কৃতিক বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, যুব বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, মহিলা বিষয়ক – ২ জন
সহঃ সম্পাদক, ধর্ম বিষয়ক – ৩ জন
সহঃ সম্পাদক, ছাত্র বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, শ্রমিক বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, কৃষি বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, সমবায় বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, শিল্প বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, প্রকাশনা বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক – ৩ জন
সহঃ সম্পাদক, গ্রাম সরকার বিষয়ক – ১ জন
সহঃ সম্পাদক, স্থানীয় সরকার বিষয়ক – ১ জন
জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্তব্য ও দায়িত্ব নিম্নরুপ হবেঃ
(ক) দলের বিভিন্ন পর্যায়ের বিভিন্ন কমিটির কর্তব্য ও দায়িত্বের নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় সাধন করা।
(খ) প্রয়োজন বোধে কমিটির কর্মকর্তা/সদস্যের বিরুদ্ধে শ্বাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করা।
(গ) দলের কর্মসূচী বাস্তবায়ন ও তর্দুদ্দেশ্যে প্রস্তাব গ্রহণ ও নির্দেশ প্রদান করা।
(ঘ) বৈধতা পশ্নে কমিটি সমূহের অন্তর্দ্বন্দ মেটানো ।
(ঙ) একই ব্যক্তির দলের একাধিক স্তরে সভাপতি কিম্বা সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হতে নিরুৎসাহিত করা।
(চ) জাতীয় স্থায়ী কমিটির নির্দেশে অন্যান্য কর্তব্য ও দায়িত্ব পালন করা।
প্রতি ছয় মাসে অন্ততঃ একবার জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে তবে পয়োজনবোধে যে কোন সময় কমিটির সভা চেয়ারম্যানের অনুমতিক্রমে ডাকা যেতে পারে। যে বছর জাতীয় কাউন্সিল হবে সে বছর ব্যতীত পতি বছর অন্ততঃ একবার জাতীয় নির্বাহী কমিটির বর্দ্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে।
(১২) জাতীয় স্থায়ী কমিটিঃ
দলের চেয়ারম্যান, পেসিডিয়াম মেম্বার ও মহাসচিব জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসাবে নির্বাচিত বলে গণ্য হবেন। তাঁদের সহ জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সংখ্যা হবে মোট ২১ জন। চেয়ারম্যান স্বয়ং এ কমিটির প্রধান থাকবেন। জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ তাদের পদাধিকার বলে জাতীয় কাউন্সিলের সদস্য বলে গণ্য হবেন। জাতীয় স্থায়ী কমিটি নিম্নোক্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেনঃ
(ক) দলের পধান নীতি নির্ধারক অঙ্গ হিসাবে এ কমিটি দলের নীতি ও কর্মসূচী পনয়ণ ও প্রবর্তন করবে।
(খ) একমাত্র চেয়ারম্যানের অপসারণ ব্যতীত দলের অন্যান্য সকল পর্য্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যদের বিরুদ্ধে গৃহীত সমস্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পূণর্বিচারের ক্ষমতা এ কমিটির থাকবে।
(গ) এ কমিটির প্রয়োজনবোধে দলের ঘোষনাপত্র, গঠনতন্ত্র বিধি, উপবিধি ও ধারায় যথাযথ সংগতিপূর্ণ ব্যাখ্যা করবে এবং সে ব্যাখ্যা চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
(ঘ) দলের সদস্যরা যাতে দলের ঘোষনাপত্র, গঠনতন্ত্র, ধারা, উপধারা, বিধি ও উপবিধির প্রতি যথাযথ সম্মান পদর্শন করেন এবং মেনে চলে এ কমিটি সে দিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখবে।
(ঙ) এ কমিটি দলের পচারপত্র ও অন্যান্য পকাশনার অনুমোদন দান করবেন এবং এ কমিটির অনুমোদন ব্যতীত দলের কোন প্রচারপত্র বা প্রকাশনা পকাশ বা বিতরণ করা চলবে না।
(চ) এ কমিটি গাম পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত যে কোন নির্বাহী কমিটির কাজ সাময়িকভাবে মূলতবী রাখার নির্দেশ দিতে পারবে কিংবা প্রয়োজনবোধে তা বাতিল করে দিয়ে পূণঃ নির্বাচনের নির্দেশ দিতে পারবে। পূণঃ নির্বাচনের জন্য স্থায়ী কমিটি একজন আহবায়ক বা বিশেষ ক্ষেত্রে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী কমিটির পূণ:গঠন ও পুণ:নির্বাচনের নির্দেশ দিতে পারবে।
(ছ) এ কমিটি জাতীয় নির্বাহী কমিটি এবং বিষয় কমিটি সমূহের আওতাভূক্ত যে কোন বিষয়ের উপর রিপোর্ট পেশ করার জন্য উক্ত কমিটিসমূহকে নির্দেশ দিতে পারবে।
(জ) এ কমিটি জাতীয় নির্বাহী কমিটি এবং চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত অন্যান্য কমিটি সমূহের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ ও তদারক করবে।
(১৩) পার্লামেন্টারী বোর্ডঃ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কিংবা অন্য যে কোন নির্বাচনের জন্য দলের পার্থী মনোনয়নের জন্য দলের একটি পার্লামেন্টারী বোর্ড থাকবে। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটিই হবে দলের পার্লামেন্টারী বোর্ড। তবে যে জেলার প্রাথী মনোনয়ন বোর্ডে আসবে, তার পূর্বে সেই জেলার ইউনিয়ন পর্যায়ের (তৃণমূল) কাউন্সিলদের ভোটে সর্বাধিক ৩ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে পার্লামেন্টারী বোর্ড এ উপস্থিত হবেন। এবং যে জেলার প্রার্থী মনোনয়নের জন্য পার্লামেন্টারী বোর্ডের সভা আহুত হবে সেই জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উক্ত সভায় পার্লামেন্টারী বোর্ডের সদস্য বলে গণ্য করা হবে। তবে কোন সদস্য যদি নির্বাচন প্রার্থী হন তাঁর নির্বাচনী এলাকার প্রার্থী বিবেচনাকালে বোর্ডের সভায় তিনি অংশ গহণ করতে পারবেন না। দলের চেয়ারম্যান হবেন পার্লামেন্টারী বোর্ডের সভাপতি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিংবা যে কোন নির্বাচনে দলের পার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব পার্লামেন্টারী বোর্ড পালন করবেন এবং এ ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে। তবে পার্লামেন্টারী বোর্ড সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা/থানা অথবা জেলা কমিটি (যদি থাকে) কর্তৃক পণীত পার্থী প্যানেল হইতে চুড়ান্ত পার্থী মনোনীত করবে।
(১৪) পার্লামেন্টারী পার্টিঃ
জাতীয় সংসদে দলের সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে দলের পার্লামেন্টারী পার্টি। দলের চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা করে এ পার্টি তার নেতা, উপনেতা, চীফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপদের নির্বাচিত করবেন। পার্লামেন্টারী পার্টির
সদস্যবৃন্দ পদাধিকার বলে জাতীয় কাউন্সিলের সদস্য হবেন।
(১৫) চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলঃ
চেয়ারম্যানকে বিশেষ বিষয়ে পরামর্শের জন্য প্রেসিডিয়াম পদ মর্যাদায় ৯ জন উপদেষ্টা থাকবে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে চেয়ারম্যান উপরোক্ত সংখ্যা বাড়াতে পারবেন। তারা চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত হবেন এবং পদাধিকার
বলে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বলে গণ্য হবেন।
(১৬) চেয়ারম্যানের বিশেষ সহকারীঃ
চেয়ারম্যান তাঁর দলীয় কার্য্যক্রম পরিচালনায় সহযোগীতা করার জন্য পয়োজনবোধে বিশেষ সহকারী নিযুক্ত করতে পারবেন। তিনি নিজেই তাঁর বিশেষ সহকারীদের সংখ্যা এবং দলে তাদের সাংগঠনিক মর্য্যাদা নির্ধারণ করবেন।
৭. কমিটির সদস্য পদের অযোগ্যতাঃ
নিম্নাক্ত ব্যক্তিগণ জাতীয় কাউন্সিল, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, জাতীয় স্থায়ী কমিটি বা যে কোন পর্যায়ের যে কোন নির্বাহী কমিটির সদস্য পদের কিংবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের পার্থী পদের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
(ক) ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৮-এর বলে দন্ডিত ব্যাক্তি;
(খ) দেউলিয়া;
(গ) উন্মাদ বলে প্রমাণিত ব্যাক্তি;
(ঘ) সমাজে দুর্নীতিপরায়ণ বা কুখ্যাত বলে পরিচিত ব্যাক্তি।
৮. চেয়ারম্যানঃ
পধান কর্মকর্তা হিসাবে দলের একজন চেয়ারম্যান থাকবেন।
(ক) চেয়ারম্যান নির্বাচনঃ
জাতীয় কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দের সরাসরি ভোটে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্টতার মাধ্যমে ৩ বছরের জন্য দলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন। মেয়াদ শেষে চেয়ারম্যান পদে একই ব্যাক্তি পুনরায় নির্বাচিত হতে পারবেন। কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত চেয়ারম্যান দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এবং জাতীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বলে গণ্য হবেন। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত চেয়ারম্যান স্বপদে বহাল থাকবেন।
(খ) চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্বঃ
(১) দলের প্রধান কর্মকর্তা হিসাবে চেয়ারম্যান দলের সর্বময় কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ, তদারক ও সমন্বয় সাধন করবেন এবং তদুদ্দেশ্যে জাতীয় কাউন্সিল, জাতীয় স্থায়ী কমিটি, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিষয় কমিটি সমূহ এবং চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত অন্যান্য কমিটি সমূহের উপর কর্তৃত্ব করবেন এবং তাদের কার্যাবলীর নিয়ন্ত্রণ, তদারক ও সমন্বয় সাধন করবেন।
(২) উপরোক্ত কমিটি সমূহের সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও চেয়ারম্যান পয়োজনবোধে নিতে পারবেন।
(৩) জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি হিসাবে উক্ত কমিটির কর্মকর্তাদের দায়-দায়িত্ব, ক্ষমতা ও কর্তব্য চেয়ারম্যান নিরুপণ করবেন।
(৪) চেয়ারম্যান পয়োজন মনে করলে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি, জাতীয় স্থায়ী কমিটি, বিষয় কমিটি সমূহ এবং চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত অন্যান্য কমিটি সমূহ বাতিল করে দিতে পারেন।
(৫) চেয়ারম্যান জাতীয় কাউন্সিল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এবং জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভাসমূহে সভাপতিত্ব করবেন, তবে এ ক্ষমতা পয়োজন বোধে তিনি অন্য সদস্যের উপর অর্পণ করতে পারবেন।
(৬) চেয়ারম্যান জাতীয় স্থায়ী কমিটি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শূন্য পদ পূরণ করতে পারবেন।
(গ) পেসিডিয়াম মেম্বার এর কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্বঃ
(১) পেসিডিয়াম মেম্বার দায়িত্ব পালনে চেয়ারম্যানকে সহযোগীতা করবেন এবং চেয়ারম্যান কর্ত্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন।
(২) চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে সিনিয়ারিটি হিসেবে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন।
(৩) যে কোন কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূণ্য হলে সিনিয়র প্রেসিডিয়াম মেম্বার চেয়ারম্যানের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব গহণ করবেন।’
(ঘ) চেয়ারম্যানের অপসারণঃ
জাতীয় কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের দাবীকৃত জাতীয় কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যার তিন-চতুর্থাংশের ভোট যদি চেয়ারম্যানের অপসারণের অনুকুলে হয় তাহলে চেয়ারম্যানকে অপসারিত করা যাবে। তবে জাতীয় কাউন্সিলের উক্ত দাবীতে চেয়ারম্যানের অপসারণই সভার একমাত্র বিষয়বস্তু হিসাবে দেখাতে হবে এবং অপসারণের কারণ স্পষ্টভাবে লিখিত থাকতে হবে।
৯. সভা, নোটিশ, কোরামঃ
(ক) জাতীয় কাউন্সিলঃ
দলের মহাসচিব দলের চেয়ারম্যানের লিখিত পরামর্শক্রমে জাতীয় কাউন্সিলের সভা আহবান করতে পারবেন। কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যার ১/৩ (এক-তৃতীয়াংশ) সদস্য কাউন্সিলের সভার কোরাম গঠন করবে। লিখিতভাবে সাধারণ ডাকে কিংবা পিয়ন মারফত কিংবা সংবাদপত্রের মাধ্যমে সুস্পষ্ট ১৫ দিনের নোটিশে সম্ভব হলে বছরে অন্ততঃ একবার জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। অনুরুপভাবে সুস্পষ্ট ৫ দিনের নোটিশে কাউন্সিলের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হতে পারবে। জাতীয় কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যার ১/৩ (এক-তৃতীয়াংশের) দাবিতে অনুরুপভাবে সুস্পষ্ট ১৫ দিনের নোটিশে কাউন্সিলের ‘দাবী সভা’ অনুষ্ঠান করা যাবে। তবে এ সভার নোটিশে সুস্পষ্টভাবে দাবীর বিষয়বস্তু উল্লেখ থাকতে হবে। এরূপ সভায় মোট কাউন্সিলরদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশের) ভোট দাবীর পক্ষে না পাওয়া গেলে দাবীটি বাতিল হয়ে যাবে।
(খ) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিঃ
দলের মহাসচিব দলের চেয়ারম্যানের লিখিত পরামর্শক্রমে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভা আহবান করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির মোট সদস্য সংখ্যার ১/৩ (এক-তৃতীয়াংশ) সদস্য উক্ত কমিটির সভার কোরাম গঠন করবে। লিখিতভাবে সাধারণ ডাকে কিংবা পিয়ন মারফত কিংবা সংবাদপত্রের মাধ্যমে সুস্পষ্ট ৭ দিনের লিখিত নোটিশে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভা আহবান করা যেতে পারে। তবে জরুরী সভার জন্য ৪৮ ঘন্টার নোটিশই যথেষ্ট হবে। তবে সদস্য সংখ্যার ১/৩ (এক/তৃতীয়াংশ) সদস্যের দাবীতে এবং সুস্পষ্ট ৭ দিনের উপরোক্তভাবে নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভা দাবী করা যেতে পারে এবং কমিটির মহাসচিব যদি সেই সভা আহবান না করেন, তবে কমিটির চেয়ারম্যান উক্ত সভা আহবান করবেন।
(গ) জাতীয় স্থায়ী কমিটিঃ
দলের চেয়ারম্যান যে কোন সময় তাঁর ইচ্ছানুযায়ী জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভা আহবান করতে পারেন। তবে পতি ৩ মাসে অন্তত: একবার স্থায়ী কমিটির সভা হতে হবে। বিদ্যমান (ঊীরংঃরহম) সদস্য সংখ্যার ৫০ ভাগ সদস্য নিয়ে এ সভার কোরাম গঠিত হবে।
(ঘ) ওয়ার্ড থেকে জেলা নির্বাহী কমিটিঃ
দলের ওয়ার্ড কমিটি থেকে জেলা কমিটি পর্যন্ত সমস্থ পর্যায়ের নির্বাহী কমিটির সভা উক্ত কমিটির সাধারন সম্পাদক কমিটির সভাপতির সাথে আলোচনা করে সাত দিনের নোটিসে আহ্বান করতে পারবেন। ব্যাক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে এবং পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে স্বল্প সময়ের নোটিসে জরুরী সভা আহ্বান করা যেতে পারে। আহ্বায়ক কমিটির ক্ষেত্রে আহ্বায়ক সভা আহ্বান করতে পারবেন। সকল পর্য্যায়ের নির্বাহী কমিটি ও আহ্বায়ক কমিটির সভার কোরাম সংশ্লিষ্ট কমিটির মোট সদস্য সংখ্যার ১/৩ (এক তৃতীয়াংশ) সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে। পতি তিনমাসে অন্ততঃ একবার মহানগর/জেলা/উপজেলা/থানা/পৌরসভা/ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি সভা অনুষ্ঠান করতে হবে। পতিটি সভার উপস্থিতির সাক্ষরসহ কার্যবিবরনী ও সিদ্ধান্তের অনুলিপি উর্দ্ধতন কমিটির নিকট অবিলম্বে প্রেরণ করতে হবে।
(ঙ) মহানগর/জেলা/উপজেলা/থানা/পৌরসভা, ইউনিয়ন এবং পৌর ওয়ার্ড উপদেষ্টা কমিটিঃ
মহানগর ও জেলা নির্বাহী কমিটিতে অনুর্দ্ধ ১১জন, উপজেলা/থানা/পৌরসভা নির্বাহী কমিটিতে অনুর্দ্ধ ৯ জন ও ইউনিয়ন এবং পৌর ওয়ার্ড কমিটিতে অনুর্দ্ধ ৭ জন সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি থাকবে। দলের প্রবীণ ও প্রাক্তন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং দলের কার্যক্রমে যুক্ত সমাজের বিশিষ্ট ব্যাক্তিগণ এর সদস্য হবার যোগ্য হবেন। দলের সংশ্লিষ্ট কমিটি কৃর্তক উপদেষ্টা কমিটি মনোনীত হবেন। তারা সংশ্লিষ্ট কমিটিকে পরামর্শ দেবেন এবং দলীয় সভা, অনুষ্ঠান ও কার্যক্রমে অংশগহণ করবেন।
১০. তহবিল ও অর্থ-বিষয়ক নীতিমালাঃ
তহবিল দলের অর্থসম্পাদক সংগঠনের তহবিল সংগহ ও হিসাব রক্ষাবেক্ষণ করবেন। কোন বাণিজ্যিক ব্যাংকে সংগঠনের হিসাব খোলা হবে এবং চেয়ারম্যান/সভাপতি, অর্থসম্পাদক ও মহাসচিব/সাধারণ সম্পাদক এই তিনজনের যে কোন দুই জনের যুক্ত স্বাক্ষরে তহবিল পরিচালনা করা যাবে, তবে যুক্ত স্বাক্ষরে অর্থসম্পাদক এর স্বাক্ষর থাকতেই হবে। কোন অনিবার্য কারণে অর্থসম্পাদক দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে কিম্বা তার অনুপস্থিতে সহ অর্থসম্পাদক সমুদয় দায়িত্ব পালন করবেন। দলের হিসাব পতি বছর অডিট করাতে হবে এবং অর্থ বছর সমাপ্ত হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে অডিট রিপোর্ট পকাশ করতে হবে। সদস্য ফি, চাঁদা, দান, অনুদান, মনোনয়ন ফরম বিক্রির ও মনোনয়নপত্র গ্রহনের সময় প্রাপ্ত টাকা সংগ্রহের মাধ্যমে দলের তহবিল সৃষ্টি করা হবে।
১১. বিধি ও উপবিধিঃ
যে ক্ষেত্রে গঠনতন্ত্রে কোন সুনির্দিষ্ট বিধান নাই, জাতীয় স্থায়ী কমিটি সে ক্ষেত্রে বিধি ও উপবিধি পনয়ণ করতে পারবে। এবং এর জন্য দলের চেয়ারম্যান ও জাতীয় স্থায়ী কমিটি সদস্যদেও সমন্বয়য়ে বিধিমালা প্রনয়ন কমিটি গঠন করতে হবে।
১২. গঠনতন্ত্র সংশোধনঃ
গঠনতন্ত্র সংশোধনের নিয়মাবলী নিম্নরুপ হবেঃ
জাতীয় কাউন্সিলের যে কোন সদস্য লিখিতভাবে গঠনতন্ত্র সংশোধনের প্রস্তাব করতে পারেন। উক্ত প্রস্তাব দলের মহাসচিব এর নিকট প্রেরণ করতে হবে যাতে করে মহাসচিব প্রস্তাবটি জাতীয় কাউন্সিলের পরবর্তী সভায় পেশ করতে পারেন, তবে:
(ক) প্রস্তাবিত সংশোধনী যে সভায় বিবেচিত হবে সে সভায় উপস্থিত সকল সদস্যদের মধ্যে সংশোধনী প্রস্তাবের অনুলিপি বিতরণ করতে হবে।এই সংশোধনী গৃহীত হতে হলে মোট কাউন্সিলরদের তিন ভাগের দুই ভাগকে প্রস্তাবের অনুকূলে ভোট দিতে হবে।
(খ) জরুরী কারণে যদি কোন সংশোধনী পয়োজন হয়ে পড়ে, দলের চেয়ারম্যান গঠনতন্ত্রে সে সংশোধন করতে পারবেন, তবে জাতীয় কাউন্সিলের পরবর্তী সভায় ‘ক’ তে বর্ণিত সংখ্যাগরিষ্টতায় উক্ত সংশোধনী গৃহীত হতে হবে।
১৩. অন্যান্যঃ
ক. বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি সহ সকল স্তরের কমিটিতে শতকারা ৩৩% নারী সদস্য পদ রাখতে হবে।
খ. বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির গঠনতন্ত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ছাত্র, বিভিন্ন পেশার সদস্য এবং আর্থিক, বানিজ্যিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের সমন্বয়ে কোন অংগ সংগঠন থাকবে না।
গ. বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির গঠনতন্ত্রের বাংলাদেশের সংবিধানের পরিপন্থি এমন কোন উদ্দেশ্য থাকতে পারবে না।
ঘ. বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি আর্ন্তজাতিক ভাবে স্বীকৃত জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী একটি রাজনৈতিক দল। সুতরাং বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির গঠনতন্ত্রের কোন ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, ভাষা ও লিঙ্গ ভেদে কোন বৈষম্যের বিধান থাকবে না।
ঙ. যেহেতু বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমার বাহিরে (প্রবাসে) কোন দপ্তর, শাখা বা কমিটি গঠন বাংলাদেশের সংবিধানের পরিপন্থি, সেহেতু বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির গঠনতন্ত্রে বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমার বাহিরে কোন দপ্তর, শাখা বা কমিটি, অথবা প্রবাসী সংগঠন থাকবে না।
চ. বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির গঠনতন্ত্রে দলের নাম, পতাকা, চিহ্ন বা অন্য কোন কর্মকান্ডের দ্ধারা ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঐক্য বিনষ্ঠ হয়, কিংবা দেশকে বিচ্ছিন্নতার দিকে লইয়া যায়, এমন কোন বিধান থাকবে না।
ছ. বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি নামক রাজনৈতিক দলটি সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত কোন সংগঠন না অথবা সেই নামের সাথে মিল আছে এমন কোন নাম বা চিহ্ন দলের গঠনতন্ত্রে নাই বা থাকবে না।
জ. বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি নামক রাজনৈতিক দলটি Bangladesh Collaborator (Special Tribunals) Order 1972 and International Crimes (Tribunals) Act, 1972 এর অধিনে কোন অপরাধে দন্ডিত কোন ব্যাক্তিকে দলের কেন্দ্রীয় বা অন্যান্য কমিটিতে রাখা যাবে না।
ঝ. বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি নামক রাজনৈতিক দলটি বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী একটি রাজনৈতিক দল।
ঞ. বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি নামক রাজনৈতিক দলটির নামের সাথে, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত কোন রাজনৈতিক দলের নামের মিল থাকবে না।